দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে এখন মানুষ শুধু পথচারী নয়, রিকশাওয়ালারাও আতঙ্কে থাকে। ছিনতাই, চাঁদাবাজি আর কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, রাত নয়—এখন দিনের বেলাতেও প্রকাশ্যে ছিনতাই ও হামলার ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রতিক সময়ে কুমিল্লায় এক সরকারি কর্মকর্তাকে ছিনতাই শেষে চলন্ত অটোরিকশা থেকে ফেলে হত্যা করার ঘটনাও দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, সংঘবদ্ধ চক্রগুলো এখন যাত্রী, রিকশাচালক, ছোট ব্যবসায়ী—কাউকেই ছাড়ছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের মনে রাষ্ট্র ও আইনের প্রতি আস্থা আরও কমে যাবে। সমাজে ভয়, অস্থিরতা আর অনিরাপত্তা বাড়তে থাকবে। পত্রিকাগুলোতে উঠে এসেছে—অবৈধ অস্ত্র, মাদক, কিশোর গ্যাং এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপরাধ বাড়তে থাকলে দেশের সামাজিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এভাবে চলতে থাকলে একসময় মানুষ নিজের ঘর থেকেও নিরাপদ বোধ করবে না। তাই এখনই দরকার কঠোর আইন প্রয়োগ, দ্রুত বিচার এবং সমাজের সবাইকে সচেতন হওয়া। কারণ একটি দেশের ভবিষ্যৎ শুধু উন্নয়নে নয়, মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তির ওপরও দাঁড়িয়ে থাকে। Like this:Like Loading... Related Post navigation বাংলাদেশ ঈদযাত্রা: ট্রেনের ছাদে যাত্রী, আনন্দও আছে—ঝুঁকিও কম নয়