রমজানের শেষ শুক্রবার পালিত Quds Day উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই দিনটি মূলত ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর উদ্দেশ্যে পালন করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও Tehran-এ হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা Israel ও United States-এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। এই দিবসটি প্রথম চালু করেছিলেন ইরানের বিপ্লব-পরবর্তী সময়ের সর্বোচ্চ নেতা Ruhollah Khomeini, ১৯৭৯ সালে। এরপর থেকে প্রতি বছর রমজানের শেষ শুক্রবার দিনটি বিভিন্ন দেশে পালন করা হয়ে থাকে। এবারের আল-কুদস দিবস এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ও সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ রয়েছে। ইরানের ধর্মীয় নেতা Ali Khamenei-এর নামও চলমান সংঘাতের আলোচনায় এসেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু ইরানেই নয়, Malaysia, Indonesia, Kashmir এবং Yemen-সহ আরও কয়েকটি অঞ্চলেও সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সমাবেশে অনেক অংশগ্রহণকারী ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি ইরানের জনগণের প্রতিও সমর্থন প্রকাশ করেন। অন্যদিকে United Kingdom-এ এ বছর London শহরের আল-কুদস দিবসের মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য উত্তেজনা ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, আল-কুদস দিবস শুধু একটি ধর্মীয় বা রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিয়ে বৈশ্বিক জনমতের প্রতিফলন হিসেবেও বিবেচিত হয়ে থাকে। ক্যাটাগরি: আন্তর্জাতিক সংবাদ / মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতি 🌍📰 Like this:Like Loading... Related Post navigation যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ১১.৩ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগনের হিসাব