নীরব ভালোবাসার গল্প অনেকদিন ধরেই তাকে দেখতাম — প্রতিদিনের পথচলায়, দূর থেকে। সে ছিল নিখুঁত সুন্দরী, কিন্তু অদ্ভুতভাবে কখনো মনে হয়নি তাকে ভালোবাসতে চাই। তার সম্পর্কে অনেক কিছু জানতাম, অথচ সে জানত না আমার অস্তিত্বও। একদিন হঠাৎ সে নিজেই কথা বলতে এল। তার কণ্ঠের কোমলতা আর পাশে দাঁড়ানো শরীরের উষ্ণ বাতাস আমার হৃদয়ের ভেতর অজানা আলো জ্বেলে দিল। সেই মুহূর্ত থেকেই শুরু হলো আমার জীবনের এক নীরব কল্পনা — যার প্রতিটি দৃশ্য কেবল তাকেই ঘিরে। আমি তাকে মনের কথা বলার শত উপায় খুঁজেছি, কিন্তু কোনো পথই যেন ঠিক ঠিক মেলে না। প্রতিদিন তার নামে চিঠি লিখতাম, অথচ সেই চিঠি পৌঁছানোর আগেই নিজের হাতেই ছিঁড়ে ফেলতাম। সাহস আর ভয় একসাথে বুকের ভেতর যুদ্ধ করত। দিনের পর দিন কেটে গেল এমনই দ্বিধায়। একদিন মনে দৃঢ়তা এলো — আজই বলব। আর দেরি নয়। কিন্তু সেদিন তার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে শুনলাম, তার বিয়ের তারিখ ঠিক হয়ে গেছে। মুহূর্তেই মনে হলো, আকাশ যেন ভেঙে পড়ল আমার বুকের ওপর। শব্দহীন হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম, শুধু বুঝলাম — কিছু ভালোবাসা প্রকাশের আগেই ইতিহাস হয়ে যায়। Like this:Like Loading... Related Post navigation নীরব এক অভিমান যাকে আমি কখনো বলতে পারিনি